আজ | শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯
Search

২৭৩০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা

১:২৫ অপরাহ্ন, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯

chahida-news-1571815516.jpg
ফাইল ছবি

নতুন করে করে এমপিওভুক্ত করা হলো ২৭৩০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বুধবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেন। এর মধ্য দিয়ে বহু শিক্ষক-কর্মচারীর বহু দিনের প্রত্যাশা পূরণ হলো।

প্রধানমন্ত্রী বুধবার ঘোষণা দিয়েও এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে গত জুলাই থেকে। সাড়ে ৯ বছর পর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হলো।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নীতিমালা অনুযায়ী যারা নির্দেশনা ধরে রাখতে পারবে না তাদের এমপিও বাতিল করা হবে।

সর্বশেষ ২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এবার ২৭৬৮ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৬৫০–এর মতো বিদ্যালয় ও কলেজ রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত ২৭৩০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির ঘোষণা এলো।

এমপিওভুক্তির দাবিতে ২০১০ সালের পর থেকেই থেমে থেমে আন্দোলন করে আসছেন এমপিওভুক্ত নয়, এমন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক–কর্মচারীরা।

এর আগে মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, সর্বশেষ যতগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল, তার প্রায় দ্বিগুণ প্রতিষ্ঠান এবার এমপিওভুক্ত হচ্ছে।

প্রায় এক ঘণ্টার মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, নতুন নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্য প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হবে। যোগ্য বিবেচিত একটি প্রতিষ্ঠানও বাদ যাবে না। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয় দেখা হবে না।

স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে আবেদন বাছাই করে যোগ্য তালিকা তৈরি করা হয়েছে। বিশেষ বিবেচনায় কেবল পিছিয়ে পড়া এলাকার প্রতিষ্ঠানকে বিবেচনা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট উপজেলার মেধাক্রম অনুসারে সেরা প্রতিষ্ঠানকে বেছে নেয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি আরও বলেন, এমপিভুক্ত হওয়াসহ সব প্রতিষ্ঠানকে নীতিমালা অনুযায়ী মান ধরে রাখতে হবে। এতে কোনো প্রতিষ্ঠান ব্যর্থ হলে সেটির এমপিও সাময়িক স্থগিত করা হবে।

পুনরায় যোগ্যতা অর্জন করতে পারলে এ সুবিধার আওতায় আবার আনা হবে। তিনি বলেন, এখনও সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নজরদারির আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। এখন থেকে এমপিওভুক্তি প্রতিষ্ঠানকে নজরদারির আওতায় আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ও শিক্ষার মান বাড়াতে মনিটরিং ব্যবস্থা বাড়ানো হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।

  

আপনার মন্তব্য লিখুন