আজ | শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯
Search

আবরারের বাড়িতে যাওয়া হলো না বিএনপি নেতাদের

৯:৫৪ অপরাহ্ন, ১৩ অক্টোবর, ২০১৯

chahida-news-1570982055.jpg

পুলিশের বাধায় নিহত বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যদের সান্তনা দিতে কুমারখালী যেতে পারেনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমানসহ দলের কয়েকজন নেতা।

রোববার সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে পাবনা-কুষ্টিয়া মহাসড়কের লালন শাহ সেতুর ভেড়ামারা অংশের টোল প্লাজা থেকে তাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

আমান উল্লাহ আমানের গাড়ী (ঢাকা মেটো-ঘ-১১-৪৭৬৫) সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে লালন শাহ সেতুর ভেড়ামারা টোল প্লাজায় পৌঁছায় সেখান থেকে ১১টা ৪০ মিনিটে পুলিশের বাধায় গাড়ীটি পূনরায় ঢাকার অভিমুখে ফেরত যায়। এসময় বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, আমাদের কুষ্টিয়া লালন শাহ সেতুতে পুলিশ অন্যায়ভাবে বাধা প্রদান করছে। আমরা জাতিকে জানাতে চাই আবরার জাতীর সম্পদ।

আমান উল্লাহ আমান বলেন, আমরা এসেছি কেন্দ্র ঘোষিত শান্তিপূর্নভাবে সমাবেশ করবো। জেলা বিএনপির কার্যালয়ে যাবো। আমরা শহীদ আবরাবের বাড়িতে যাবো। তার বাবা-মার সাথে কথা বলবো। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের পাঠিয়েছেন। আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। এটা সংবিধানকে অমান্য করা হচ্ছে। আমাদের অধিকার পুলিশ কেড়ে নিচ্ছে। আমাদের গণতন্ত্র কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। আমাদের সংগ্রাম চলবে।

এসময় তার সাথে ছিলেন বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, জেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী রুমি, সাধারন সম্পাদক সোহবার উদ্দিন।

এসময় কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) আল বে রুনি, ভেড়ামার থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল আলীম ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ৯ অক্টোবর (বুধবার) নিহত আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যদের সান্তনা দিতে এবং ফাহাদের কবর জিয়ারত করতে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আসেন বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। ফাহাদের গ্রামের বাড়িতে এলাকাবাসীর তোপের মুখে পড়েন তিনি। পরে পুলিশের সহায়তায় দ্রুত স্থান ত্যাগ করে ঢাকায় ফিরে যান ভিসি।

প্রসঙ্গত, ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মী। এরপর তাকে শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

  

আপনার মন্তব্য লিখুন