আজ | শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯
Search

আমরা চাই বিশুদ্ধ পানি: হাইকোর্ট

২:০০ অপরাহ্ন, ২৪ জুলাই, ২০১৯

chahida-news-1563955240.jpg

ওয়াসাকে উদ্দেশ্য করে হাইকোর্ট বলেছেন, ‘তারা (ওয়াসা) যদি সমস্যা সমাধান করতে পারে, তা হলে ভালো। আমাদের দরকার বিশুদ্ধ পানি। অতশত বুঝি না, আমরা চাই বিশুদ্ধ পানি।’

ওয়াসার পানির দূষণ নিয়ে শুনানিতে বুধবার এমন মন্তব্য করেছেন বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ। আদালতে ওয়াসার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার এএম মাসুম। রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী তানভীর আহমেদ।

পানি পরীক্ষায় আদালতের নির্দেশে গঠিত চার সদস্যের কমিটির প্রতিবেদন গত ৭ জুলাই আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

সেই প্রতিবেদনে ঢাকা ওয়াসার ১০টি বিতরণ জোনের ৩৪টি নমুনার মধ্যে আটটি পানির নমুনায় ব্যাকটেরিয়াজনিত দূষণ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

আদালত এ প্রতিবেদন সম্পর্কে ঢাকা ওয়াসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চেয়ে ২৪ জুলাই পরবর্তী শুনানির জন্য দিন রাখেন।

শুনানিতে এএম মাছুম বলেন, সমন্বিত পানি পরীক্ষার প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল ফেকাল কলির্ফম পাওয়া গিয়েছিল। সেই প্রতিবেদনে কিছু সুপারিশ ছিল সেগুলো বাস্তবায়ন করছি। সে সুপারিশ অনুসারে আইসিসিডিআরবি ও বুয়েটে আমাদের পানি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। পাতলা খান লেনের পানির রিপোর্ট পেয়েছি। মিরপুরেরটা রোববার পাব।

তখন তানভীর আহমেদ বলেন, আদালতের আদেশের পরে পানি পরীক্ষার জন্য কমিটি গঠন করতে তিন মাস সময় লেগেছিল। আজকে প্রতিবেদনের ওপর জবাব দাখিলের কথা।

এএম মাছুম বলেন, একটা প্রতিবেদন হাতে এসেছে। মিরপুরেরটা রোববার আসবে। আসলে প্রতিবেদন দিয়ে দেব।

এ সময় আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে আদালত বলেন, তারা (ওয়াসা) যদি সমস্যা সমাধান করতে পারে, তা হলে ভালো। আমাদের দরকার পানি। বিশুদ্ধ পানি। আমরা বিশুদ্ধ পানি চাই। এটি নিশ্চিত করতে পারলে ভালো।

এর পর আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য ৩০ জুলাই দিন ধার্য করেন।

এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে গতবছরের ৬ নভেম্বর হাইকোর্ট ঢাকা ওয়াসার পানি পরীক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করে চার সদস্যের কমিটি গঠন করার আদেশ দেন। গত ১৮ এপ্রিল স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের কমিটি গঠন করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

কমিটির সদস্যরা হলেন- ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়রিয়াল ডিজিজ রিসার্চ, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী মনিরুল আলম, বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এবিএম বদরুজ্জামান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান সাবিতা রিজওয়ানা রহমান।

  

আপনার মন্তব্য লিখুন