আজ | বৃহঃস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০
Search

ইউটিউব-আইপি টিভির সংবাদ পরিবেশনে ‘না’

চাহিদা নিউজ ডেস্ক | ৪:৫১ অপরাহ্ন, ১৫ অক্টোবর, ২০২০

chahida-news-1602759087.jpg
ফাইল ছবি

ইউটিউব চ্যানেল ও আইপি টিভি সংবাদ পরিবেশন করতে পারবে না। আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে এ কথা জানান মন্ত্রী।

ইউটিউব চ্যানেলে সংবাদ পরিবেশনের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘ইউটিউব চ্যানেল এবং আইপি টিভি নিবন্ধনের জন্য আমরা দরখাস্ত আহ্বান করেছি। সেগুলো তদন্তের কাজ চলছে। প্রাথমিক তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে। সেটি হওয়ার পর আমরা নিবন্ধন দেওয়ার কাজ শুরু করব। এক্ষেত্রে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আইপি টিভিগুলো শুধু এন্টারটেইনমেন্ট চ্যানেল হিসেবে কাজ করবে। সব বিষয় নরমাল টেলিভিশন চ্যানেলের মতো করার কথা নয়, এ রকম সিদ্ধান্ত ছিল।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ইউটিউব চ্যানেল ও আইপি টিভি নিয়মিত সংবাদ পরিবেশ করতে পারবে না। এমনিতেই কোনো টেলিভিশন চ্যানেল যখন অনুমতি পায় শুরুতে তারা সংবাদ পরিবেশনের অনুমতি পায় না। সে জন্য তাদের কিছু প্যারামিটার পূরণ করতে হয়, আবার দরখাস্ত করতে হয়। তারপর তারা সংবাদ প্রকাশের অনুমতি পায়। সুতরাং আইপি টিভির ক্ষেত্রেও অন্যান্য সবকিছু করতে পারবে- কিন্তু সংবাদ পরিবেশনের কাজটি তারা আপাতত করতে পারবে না; এটি আমাদের মন্ত্রণালয় নয়, আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের সিদ্ধান্ত।’

চলমান অনলাইন নিউজপোর্টালের নিবন্ধন প্রক্রিয়া কবে শেষ হবে- এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অনলাইন নিবন্ধনের কাজ চলছে। ইতিমধ্যে আমরা বেশ কয়েকটি অনলাইনকে নিবন্ধনের জন্য অনুমতি প্রদান করেছি। বাকিগুলো আমরা ধীরে ধীরে দেবো। যেহেতু কয়েক হাজার অনলাইন, এগুলো সম্পন্ন করতে কয়েক মাস সময় লাগবে। কারণ, বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা তদন্ত রিপোর্ট দেওয়ার পরই কিন্তু আমরা দিতে পারছি। এর আগে তো দিতে পারছি না। সে কারণেই একটু সময় লাগছে। বেশিরভাগকে নিবন্ধন দেওয়ার কাজ এই বছরের মধ্যে আমরা শেষ করার চেষ্টা করব।’

হাছান আরও বলেন, ‘অনলাইন নিবন্ধনের কাজ এ বছর শেষ হলেই শেষ হয়ে যাবে তা নয়। কারণ, অনলাইন তো ভবিষ্যতেও অনেকগুলো প্রকাশিত হবে। পত্রিকা প্রকাশ করতে হলে অনুমতি লাগে, টেলিভিশন চ্যানেল খুলতে হলে লাইসেন্স লাগে। ভবিষ্যতে যখন অনলাইন নিবন্ধনের কাজটি শেষ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারব তখন আমরা ভবিষ্যতে অনলাইন খোলার ক্ষেত্রেও অনুমতির বিষয়টি সংযুক্ত করব।’

‘বিএসআরএফ সংলাপ’ এ সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি তপন বিশ্বাস, সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুরথ কুমার সরকার। সংলাপটির আয়োজন করে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ)।

  

আপনার মন্তব্য লিখুন