আজ | সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯
Search

পিটিয়েই হত্যা করা হয়েছে আবরারকে

৩:০৫ অপরাহ্ন, ৭ অক্টোবর, ২০১৯

chahida-news-1570439136.jpg

শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের কারণেই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের (২১) মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে তার লাশের ময়নাতদন্ত শেষে এ তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ।

ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, ‌‘বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের মৃত্যু পিটুনির কারণেই হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আবরারের শরীরে অনেকগুলো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাই প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পিটুনির আঘাতেই তার মৃত্যু হয়েছে। বিস্তারিত পরবর্তীতে জানা যাবে।’

এর আগে বুয়েটের শের-ই বাংলা হল থেকে আবরার ফাহাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গতকাল রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে হলের নিচতলা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সে সময় আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করে সহপাঠীরা।

আরবার ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তার বাড়ি কুষ্টিয়ায়।

সহপাঠীরা বলছে, গতকাল রাত আটটার দিকে শের-ই বাংলা হলের এক হাজার ১১ নম্বর কক্ষ থেকে কয়েকজন আবরারকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর রাত দুইটা পর্যন্ত তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাদের ধারণা, ২ হাজার ১১ নম্বর রুমে নিয়ে তাকে পিটানো হয়। পরে শের-ই বাংলা হলের একতলা ও দুই তলার মাঝখানের সিঁড়িতে আবরারকে পড়ে থাকতে দেখেন তারা।

বুয়েটের ডাক্তার মাসুক এলাহী বলেন, ‘অন্য ছাত্রদের মাধ্যমে খবর পেয়ে শের-ই বাংলা হলের একতলা ও দুই তলার মাঝামাঝি জায়গায় ফাহাদের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখি। তার শরীরে অনেকগুলো আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।’

কে বা কারা আবরারকে হত্যা করেছে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ। তবে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুয়েটের দুজন শিক্ষার্থীকে আটক করার কথা জানিয়েছে চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাব হোসেন।

  

আপনার মন্তব্য লিখুন