আজ | মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Search

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের প্রাণহানি

২:২৪ অপরাহ্ন, ১৯ আগস্ট, ২০১৯

chahida-news-1566203071.jpg
ফাইল ছবি

ঢাকাসহ সারা দেশে বেড়েই চলেছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। প্রাণহানি ঘটছে একের পর এক। গতকাল রোববার দিবাগত রাত ও আজ সোমবার সকালেও খুলনা, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহে তিনজন ডেঙ্গু রোগী মারা গেছেন।

খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজানুর রহমান (৪০) নামের এক ডেঙ্গু রোগী মারা গেছেন।আজ সোমবার সকাল ৭টায় তিনি মারা যান। মিজানুর রহমান পেশায় একজন সবজি বিক্রেতা ছিলেন।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক ফিজিশিয়ান (আরপি) ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ্বাস ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ১৫ আগস্ট খুমেকের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ভর্তি হন মিজানুর রহমান। তার বাড়ি রূপসা উপজেলার খাজাডাঙ্গা গ্রামে। এ নিয়ে খুলনায় ডেঙ্গুতে মোট পাঁচজনের মৃত্যু হলো।

এদিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেলোয়ার হোসেন (৩৫) নামে মসজিদের এক খাদেমের মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

দেলোয়ার হোসেন ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের গোলডাঙ্গীচর এলাকার শেখ শফিউদ্দিনের ছেলে। তিনি শহরের পূর্বখাবাসপুর মসজিদের খাদেম হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক কামদা প্রসাদ সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘দেলোয়ার শেখ গত ১৮ আগস্ট ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সদর হাসপাতাল থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছিলেন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।’

এ ছাড়া রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনোয়ার হোসেন (৪০) নামে এক ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. সামশুজ্জামান সেলিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ১১ আগস্ট ওই হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হন আনোয়ার হোসেন। তিনি নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার আব্দুল লতিফের ছেলে।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২৯ জুলাই থেকে সোমবার পর্যন্ত ২২ দিনে রাজবাড়ীর সরকারি হাসপাতালগুলোতে মোট ২৪১ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে আরও ১০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩৬ জন রোগী।

  

আপনার মন্তব্য লিখুন