আজ | মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০
Search

এশিয়ায় সেনা বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চাহিদা নিউজ ডেস্ক | ৯:৪৫ অপরাহ্ন, ২৬ জুন, ২০২০

এশিয়ায় চীনের মনোভাব দেখে ইউরোপ থেকে সরিয়ে এশিয়ার দিকে বাড়তি সেনা মোতায়েন করতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ব্রাসেলসে এক ভিডিও বৈঠকে বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেয়ো। চীন যেভাবে উত্তরোত্তর ভারত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপিন্সের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক হয়ে উঠছে, তাতে পিপলস লিবারেশন আর্মি’র (পিএলএ) যথাযথ মোকাবিলার জন্য সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান পাম্পেয়। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা’র।

তিনি বলেন, ‘পিএলএ’র মোকাবিলায় আমরা সব রকম প্রস্তুত কিনা, সে ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত হতে চাইছি। আমরা এই সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে ভাবছি। যদিও জানি, পিএলএ’র মোকাবিলার মতো পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে কোনও অসুবিধা হবে না।’

পম্পেয়োর ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই। তিনি দাবি করছেন, ভারত, মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি দেশের নিরাপত্তা চীনা সেনাবাহিনীর আগ্রাসী মনোভাবে উত্তরোত্তর বিপদাপন্ন হয়ে পড়ায় ইউরোপে মোতায়েন মার্কিন সেনার সংখ্যা কমিয়ে এশিয়ায় তা বাড়ানো হচ্ছে। প্রথম পদক্ষেপটি করা হচ্ছে জার্মানিতে। সেখানে মোতায়েন মার্কিন সেনার সংখ্যা ৫২ হাজার থেকে কমিয়ে ২৫ হাজার করা হচ্ছে। বাস্তব পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই বিশ্বের নানা প্রান্তে মোতায়েন মার্কিন সেনার নতুন বিন্যাস করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পম্পেয়ো।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়, ‘চীনা কমিউনিস্ট পার্টির পদক্ষেপ যে শুধুই ভারতের সীমান্ত নিরাপত্তার ক্ষেত্রেই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে তা নয়। ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপিন্সের মতো এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের তত্‍‌পরতাও মেনে নেওয়া যায় না। তাই কোনও কোনও জায়গায় মোতায়েন মার্কিন সেনার সংখ্যা কমাতে হবে। আবার ক‌োথাও কোথাও তা বাড়াতে হবে। নিজেদের নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখতে অন্য দেশগুলিকে আরও এগিয়ে আসতে হবে। আমরা যা করব তা ঐ দেশগুলির সঙ্গে আলোচনা করেই করব।’

ভারতের সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনা বাড়ানো এবং কৌশলগতভাবে দক্ষিণ চীন সাগরের সামরিকীকরণের জন্যে চীনা সেনাবাহিনীর সমালোচনা করেন তিনি।

  

আপনার মন্তব্য লিখুন