আজ | শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯
Search

ট্রাম্পের চিঠি ফেলে দিলেন এরদোয়ান

১০:১৯ অপরাহ্ন, ১৭ অক্টোবর, ২০১৯

chahida-news-1571329170.jpg
ফাইল ছবি

সিরিয়ায় হামলা না চালাতে অনুরোধ জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লেখা চিঠি ময়লার ঝুড়িতে ছুঁড়ে ফেলেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। বৃহস্পতিবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট সূত্রের বরাত দিয়ে খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি। খবরটি এমন সময়ে প্রকাশিত হল যখন তুরস্ককে অস্ত্র বিরতিতে রাজি করাতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স তুরস্কের পথে রয়েছেন।

গত ৯ অক্টোবর সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। সৈন্য প্রত্যাহার শুরুর পর এরদোয়ানকে ওই চিঠি পাঠায় হোয়াইট হাউস। চিঠিতে এরদোয়ানকে সিরিয়ার কুর্দি ইস্যুতে একটি চুক্তিতে পৌঁছার আহ্বান জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর কারণ হবেন না। আমি তুরস্কের অর্থনীতিকে ধ্বংস করতে চাই না। চুক্তিটি করলে ইতিহাস আপনাকে ইতিবাচকভাবে মনে রাখবে। কিন্তু এর ব্যত্যয় ঘটলে ইতিহাস আপনাকে শয়তান হিসেবে দেখবে। কঠোর হবেন না, বোকাও হবে না।’

চিঠিটি হাতে পাবার পর ট্রাম্পের আহ্বানকে প্রত্যাখ্যান করে এরদোয়ান তা ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেন। এর কিছুক্ষণ পরই তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তে সেনা মোতায়েন করেন। এরপর থেকে গত এক সপ্তাহে সিরিয়ায় তুর্কি আগ্রাসনে শতাধিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার তুরস্কের উপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরও এরদোয়ান সিরিয়ায় হামলা বন্ধ করে নি। উল্টো ঘোষণা দিয়েছেন নিরাপদ অঞ্চল স্থাপনের আগে হামলা বন্ধ করবেন না।

বহির্বিশ্বের নিন্দার মুখে এরদোয়ানের অনড় অবস্থার মধ্যে আবারও এগিয়ে এসেছেন ট্রাম্প। তুর্কি প্রেসিডেন্টকে রাজি করাতে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওকে তুরস্কে পাঠিয়েছেন ট্রাম্প। আজ তাদের এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। যদিও এরদোয়ান গতকাল ঘোষণা দিয়েছেন তিনি ট্রাম্প ছাড়া অন্য কারও সঙ্গে সিরিয়া ইস্যুতে আলোচনায় বসবেন না।

এদিকে সিরিয়া থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের জন্য নিজ পার্লামেন্টসহ বহিঃর্বিশ্বের নিন্দার মুখে পড়েছেন। সিরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতির জন্য ট্রাম্পকেই দোষারোপ করা হচ্ছে।

  

আপনার মন্তব্য লিখুন