আজ | মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Search

কারবালায় পদদলিত হয়ে হতাহত শতাধিক

১:১৬ অপরাহ্ন, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

chahida-news-1568186168.jpg

ঐতিহাসিক সেই কারবালা ময়দানে আশুরার শোক র‌্যালিতে পদদলিত হয়ে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩১ জন। ইরাকের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ খবর জানালেও নিহতের সংখ্যা আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ওই র‌্যালির সময় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০০ মানুষ। তার মধ্যে ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পবিত্র মহররম মাসের পবিত্র আশুরা উপলক্ষে মঙ্গলবার তাজিয়া র‌্যালি বের করেন শোকাতুর শিয়া সম্প্রদায়। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর দৌহিত্র হযরত হোসেনকে (র.) এই কারবালা ময়দানে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল ইয়াজিদ বাহিনী। সেই শোককে স্মরণ করে শিয়া সম্প্রদায় ১০ই মহররম আশুরা দিবস পালন করেন।

বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, ইরাকের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইফ আল বদর বলেছেন, নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। আশুরা পালনকালে এটিই সাম্প্রতিক ইতিহাসে পদপিষ্ট হয়ে মারা যাওয়ার সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা। এদিন সারাবিশে^র শিয়া সম্প্রদায়ের অসংখ্য মানুষ সমবেত হন ঐতিহাসিক কারবালা ময়দানে। মঙ্গলবার এসব মানুষে সয়লাব ছিল কারবালা। কালো পোশাকে তারা কারবালায় হযরত হোসেন (রা.)-এর স্বর্ণে মোড়ানো সমাধিতে সমবেত হন। এ সময় তাদের হাতে ছিল কালো পতাকা। তাতে লাল কালিতে লেখা ছিল ‘হোসেন’। একই রকম কর্মসূচি পালিত হয় ইরাকের রাজধানী বাগদাদ, দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর নাজাফ ও বসরায়।

ইরাকের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের সময় আশুরার এই রকম সমাবেশ নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু এখন এ দিনটি জাতীয় ছুটি। পুরো রাস্তা, পথঘাট শোকের আবহে ভরে যায়। এর মধ্য দিয়ে কারবালার সেই যুদ্ধকে ফুটিয়ে তোলা হয়। জানানো হয় শোক। ২০০৫ সালে বাগদাদে অন্য একটি ছুটির দিনে ইমাম কাদিম সমাধিতে সমবেত হয়েছিলেন বিপুল সংখ্যক ভক্ত। ওই সময় গুজব ছড়িয়ে পড়ে আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী রয়েছে সেখানে। এ ঘটনায় হুড়োহুড়ি করতে গিয়ে পদদলিত হয়ে মারা যান কমপক্ষে ৯৬৫ জন।

  

আপনার মন্তব্য লিখুন