আজ | মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯
Search

বিজিএমইএর নেতৃত্বে রুবানা হক

১:০৮ অপরাহ্ন, ৭ এপ্রিল, ২০১৯

chahida-news-1554620897.jpg

তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর নির্বাচনে মোহাম্মাদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হকের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত-ফোরাম প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছে। এ প্যানেলের প্রতিপক্ষ ছিল ডিজাইন অ্যান্ড সোর্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বাধীন স্বাধীনতা পরিষদ। এ প্যানেলের কেউ জয়ী হতে পারেননি।

শনিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারে বিজিএমইএ ভবনে সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। রাতে ফল ঘোষণা করে বিজিএমইএর নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড।

দীর্ঘ ৬ বছর পর নির্বাচন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে ছিল বেশ উৎসাহ। প্রার্থীদেরও নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট টানার চেষ্টা ছিল। পূর্ণ প্যানেলে জয়ী হওয়ায় রুবানা হকের এ সংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব পাওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের স্ত্রী।

নির্বাচনে জয়ী পরিচালকরা হলেন-রুবানা হক, এসএম মান্নান, ফয়সাল সামাদ, মোহাম্মদ নাছির, আসিফ ইব্রাহিম, আরশাদ জামাল, এমএ রহিম, কেএম রফিকুল ইসলাম, শহীদুল হক, মশিউল আজম, ইনামুল হক খান, মাসুদ কাদের, ইকবাল হামিদ কোরাইশী, নাছির উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, সাজ্জাদুর রহমান মৃধা, রেজওয়ান সেলিম, মুনির হোসেন, একেএম বদিউল আলম, মিরান আলী, মোহাম্মদ আবদুল মোমেন, মোশারফ হোসেন ঢালী, শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, মহিউদ্দিন রুবেল, শরীফ জহির ও নজরুল ইসলাম।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে এ প্যানেলের বিজয়ীরা হলেন- মোহাম্মদ আবদুস সালাম, এএম চৌধুরী, এএম মাহবুব চৌধুরী, এনামুল আজিজ চৌধুরী, মোহাম্মদ আতিক, খন্দকার বেলায়েত হোসেন, অঞ্জন শেখর দাশ, মোহাম্মদ মুছা ও মোহাম্মদ মেরাজ-ই- মোস্তফা।

দুই বছর মেয়াদি (২০১৯-২১) এ নির্বাচনে পরিচালনা পর্ষদের ৩৫টি পরিচালক পদে ৫৩ প্রার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের ৯ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ২৬ পদে ভোট হয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪৪ প্রার্থী। এর মধ্যে সম্মিলিত পরিষদ-ফোরামের প্রার্থী ২৬ জন, স্বাধীনতা পরিষদের ১৭ এবং একজন স্বতন্ত্র।

বিজিএমইএ নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড সূত্র জানায়, জয়ী পরিচালকরা ১৮ এপ্রিল ভোটের মাধ্যমে সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও সহসভাপতি নির্বাচিত করবেন। এর পর ২১ এপ্রিল নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে বর্তমান কমিটি। বিজিএমইএ নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের সদস্য ব্যারিস্টার নিহাদ কবীর সাংবাদিকদের জানান, এক হাজার ৯৫৬ ভোটারের মধ্যে ভোট দেন এক হাজার ৪৯২ জন। এর মধ্যে ৯৯ ভোট বাতিল হয়েছে। ভোটের হার ৭৬ দশমিক ২৭ শতাংশ।

এবারের নির্বাচনে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিজিএমইএর নির্বাচনকেন্দ্রিক বড় দুই জোট সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরাম সমঝোতার মাধ্যমে সম্মিলিত ফোরাম নামে একটি প্যানেলে অংশ নেয়। বিপরীতে ছিল নতুন জোট স্বাধীনতা পরিষদ।

বেলা ৩টার দিকে ভোট দিতে আসেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম। ভোট প্রদান শেষে তিনি বলেন, নির্বাচিত কমিটির কাছে প্রত্যাশা তারা যেন গার্মেন্ট সেক্টরের যে সমস্যা তা সমাধানে কাজ করেন। বর্তমানে এ খাতে সবচেয়ে বড় সমস্যা প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ববাজারে পিছিয়ে পড়া।

আরেক ভোটার ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি একে আজাদ বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা জরুরি। কারণ নির্বাচনবিহীন কমিটি হলে সেই কমিটির কোনো কমিটমেন্ট থাকে না। এতে মালিকরা সেবা থেকে বঞ্চিত হন।

  

আপনার মন্তব্য লিখুন