আজ | মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
Search

২ যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম

চাহিদা নিউজ ডেস্ক | ৯:১১ অপরাহ্ন, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

chahida-news-1599923489.jpg

পারিবারিক তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দোকান ভাংচুর, লুটপাট এবং দুই যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে সীমান্তের সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীরা। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বেনাপোলের সীমান্তের সাদীপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

আহত দুই যুবকের মধ্যে জনি আহমেদ-এর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে নাভারন ও পরে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আলী আহমেদ নেদা ও তার ভাই আজিবার রহমান ভূট্রো নামের দুই সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।

আহত জনি আহমেদ সাদীপুর গ্রামের দাউদ মোড়লের ছেলে। আহতরা হলো- সাদিপুর গ্রামের ওসমান খোকার ছেলে মিলন হোসেন (৩৫) ও একই গ্রামের দাউদ আলীর ছেলে জনি আহমেদ (৩৪)।

পুলিশ ও আহতের পিতা জানান, মিলন তার স্ত্রীর সাথে পারিবারিক কলহের জের ধরে মিলনের শ্যালক আবুবক্কার এসে মিলনকে ওজন করা বাটখারা দিয়ে মাথায় আঘাত করতে থাকে। এ সময় জনি এসে ঠেকাতে গেলে তাকে আবু বক্কার, তার পিতা আজিবার রহমান ভুট্টো, তার চাচা আলী আহম্মেদ নেদা ও ফারজেল ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। ধারালো দা দিয়ে কোপ দিলে জনির মাথায় দা আটকে গেলে কয়েকজন ধরে টেনে বের করে। এরপর চিকিৎসার জন্য প্রথমে নাভারণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেয়। সে বর্তমানে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ সময় মিলনের দোকানে থাকা দুই লাখ টাকাও দুর্বৃত্তরা লুট করে নিয়ে যায়।

আহত মিলন-এর পিতা ওসমন খোকা বলেন, আমার ছেলেকে বাটখারা দিয়ে আহত করার পর জনির মাথায় কোপ দেয় সন্ত্রাসীরা। এসময় আবু বক্কার-এর চাচা আলী আহম্মেদ নেদা ও আজিবার রহমান ভুট্টো এসে হুকুম দেয় তাদেরকে গুলি করে হত্যা করার জন্য।

তিনি আরো বলেন, নেদা এলাকায় একজন চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী। সে লাইসেন্সবিহীন পিস্তল নিয়ে এলাকায় ঘোরাফেরা করে।

এদিকে ফারজেল হোসেন নামে এক সন্ত্রাসী জনিকে কুপিয়ে অবৈধভাবে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ভারত সীমান্তের লোকজন পিটিয়ে বাংলাদেশে সাদীপুর সীমান্ত দিয়ে ফেরত পাঠায়। যে কারণে সন্ত্রাসী ফারজেলকেও গুরুতর আহত অবস্থায় যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। আহত জনির পিতা চার জনের নামে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতকদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  

আপনার মন্তব্য লিখুন