আজ | শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯
Search

কাঁদলেন নুসরাতের বাবা

১০:২১ অপরাহ্ন, ২৪ অক্টোবর, ২০১৯

chahida-news-1571934117.jpg

ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকাণ্ডে জড়িত সকল আসামীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ ১৬ জন আসামীর সবাইকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নুসরাতের বাবা একেএম মুসা ও নুসরাতের বড় ভাই নোমান। তারা এ রায় ঘোষণার সময় এজলাস কক্ষেই কেঁদে ওঠেন।

বাবা পেয়েছেন মেয়ে হত্যার রায় আর ভাই পেয়েছেন বোন হত্যার রায়। তারা সন্তুষ্ট কিন্তু মেয়ে বা বোন হারানোর ব্যথা তারা ভুলতে পারছেন না। তাদের বুকের ভেতরই ব্যথায় কেঁপে ওঠে। নুসরাতের বাবা একেএম মুসা দ্রুত তদন্ত শেষ করার জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সাড়ে ছয় মাস ধরে আমাদের পরিবারের সদস্যরা কাঁদছি। আমাদের নির্ঘুম দিন কাটছে। তবে ওই কান্না আর আজকের কান্নার মধ্যে তফাত আছে। এই কয়টা মাস এ দিনটার জন্যই অপেক্ষা করেছিলাম। নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার ব্যথা বয়ে বেড়াচ্ছি। আজ সব আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে। এ রায়ে নুসরাতের আত্মা আজ শান্তি পাবে।’

তারা সুবিচার পেয়েছেন তবে রায় কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত স্বস্তি পাচ্ছেন না বলে জানান নুসরাতের ভাই ও মামলার বাদী মাহমুদুল হাসান নোমান। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন ছোট ভাই রাশেদুল হাসান রায়হান।

তবে আসামীদের সহযোগীরা প্রতিশোধ নিতে পারে এমনটি জানিয়েছেন একেএম মুসা। তিনি নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছেন।

  

আপনার মন্তব্য লিখুন