আজ শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |
Search

প্রচ্ছদ খেলা উরুগুয়েকে হারিয়ে সেমি ফাইনালে ফ্রান্স

৪৯  বার পড়া হয়েছে

উরুগুয়েকে হারিয়ে সেমি ফাইনালে ফ্রান্স

১০:১৪ অপরাহ্ন, ৬ জুলাই, ২০১৮

  

chahida-news-1530893654.jpg

বিশ্বকাপে শেষ যে ৬টি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছে উরুগুয়ে তার মধ্যে কেবল একবার সেমি ফাইনালে যেতে পারেনি। সেটি ১৯৬৬ বিশ্বকাপের পশ্চিম জার্মানির কাছে হারে। এবার ফরাসিদের কাছে হেরে শেষ আট থেকে বিদায় নিল লাতিন আমেরিকার এ দলটি। শুক্রবার নিজনি নভগোরোদে এবারের বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে উরুগুয়েকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমি ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। ফরাসিদের হয়ে গোল দু’টি করেন রাফায়েল ভারানে ও আঁতোয়া গ্রিজমান।

চোটের কারণে এই ম্যাচে এদিনসন কাভানি খেলতে পারছেন না। তার জায়গায় লুইস সুয়ারেজের সাথে আক্রমণে লড়েছেন ক্রিস্তিয়ান স্তুয়ানি। আর লাতিন ও ইউরোপের দুই দলের কোয়ার্টার ফাইনালের শুরুতে ফরাসি ডিফেন্সে জোর হাওয়া দিয়ে গেল উরুগুয়ে। উইঙ্গার লাক্সাত বিপজ্জনক খুব। বেঞ্জামিন পাভার্ডকে গতিতে হারিয়ে বাঁ দিক থেকে লাক্সাত ক্রস দিয়েছিলেন স্তুয়ানিকে। এই স্ট্রাইকার মিস করলেন।

৮ মিনিটে লুকাস হার্নান্দেজের দূর থেকে পাঠানো বলটাকে গিরুদ উরুগুয়ের গোল চেনাতে পারেননি। তবে খেলার শুরুটা হয়েছে চমৎকার। ১৪ মিনিটে ম্যাচের প্রথম কর্নার। ফ্রান্সের পেনাল্টি বক্সের মধ্যে পাঠালেন তরেইরা। দিয়েগো গোদিন গোলমুখের কাছ থেকে চেষ্টা করলেন। গোলকিপার হুগো লরিস নিচ ডাইভে বল ক্লিয়ার করেছেন। আবার দুই মিনিট পরই গিরুদের তুলে দেওয়া বলটাকে পেনাল্টি বক্সের মধ্যে হেডে বারের উপর দিয়ে পাঠিয়েছেন আর্জেন্টিনার বিপক্ষের ম্যাচের সেনসেশন কিলিয়ান এমবাপে। প্রথম আধঘণ্টায় অবশ্য উরুগুয়ের কিপার ফার্নান্দো মুসলেরাকে প্রবল হুমকির মধ্যে পড়তে হয়নি। কিন্তু ৪০ মিনিটে ভারানের কারণে গোলটা হজম করতে হলো। পিছিয়ে পড়তে হলো ১-০ তে।

ম্যাচের ৪০ মিনিটে বিপজ্জনক জায়গায় ফ্রি-কিক পেল ফ্রান্স। বল উড়িয়ে দিলেন আঁতোয়া গ্রিজমান। দুর্ধর্ষ হেডে গোল করে রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফরাসিদের ১-০ গোলের লিড এনে দিলেন রাফায়েল ভারানে। ফার্নান্দো মুসলেরার কিছু করার থাকল না।

তার কিছুক্ষণের মধ্যে উরুগুয়ে কিন্তু সমতা এনেছিল প্রায়!‍ গোলকিপার লরিসের কারণে তা হলো না। কর্নার থেকে পেনাল্টি বক্সে উড়ে আসা বলটাকে নান্দেজ জাল চিনিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন। প্রায় নিশ্চিত গোলটিকে লরিস বাঁয়ে ঝাঁপিয়ে রুখে দিলেন। প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয় ১-০র লিড নিয়ে।

দ্বিতীয়ার্ধের ফিরে আরো আগ্রাসী হয়ে ওঠে ফরাসিরা। বল দখল নিয়ে একের পর এক আক্রমণে যায় তারা। সেই আক্রমণেই দ্বিতীয় গোলটি পায় ফরাসিরা। ম্যাচের ৬১ মিনিটে আবার ফরাসিদের গোলের উল্লাস এনে দেন গ্রিজমান। প্রথম গোলটিতে ছিল তার অ্যাসিস্ট। এবার নিজেই গোল করলেন তিনি। বাঁ পাশ থেকে উরুগুয়ের ডি-বক্সের বাইরে থেকে সরাসরি এক শপ করেন গ্রিজমান। কিন্তু সেই শট ঠেকাতে পুরোপুরি ব্যর্থ হন মুসলেরা।

এরপর ফরাসিদেরই আধিপত্য ছিল ম্যাচে। উরুগুয়ে ভেশ কয়েখটি আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করলেও খুব একটা সফল হয়নি। ফলে ২-০ গোলের জয় নিয়ে সেমি ফাইনাল নিশ্চিত করে ১৯৯৮ এর বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটা উরুগুয়ে ও ফ্রান্সের তৃতীয় দেখা। দুটি ম্যাচ (২০০২ ও ২০১০) ড্র হয়েছে। ১৯৬৬ সালে জিতেছিল ফ্রান্স।

  

Post Your Comment