আজ শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |
Search

প্রচ্ছদ জাতীয় ঢাবি উপাচার্যের বাসভবনে ভাঙচুর

৮২  বার পড়া হয়েছে

ঢাবি উপাচার্যের বাসভবনে ভাঙচুর

চাহিদা নিউজ ডেস্ক | ১২:৪৮ অপরাহ্ন, ৯ এপ্রিল, ২০১৮

  

chahida-news-1523256518.jpg

সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই আন্দোলনকারীরা ভাঙচুর করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আক্তারুজ্জামানের বাসভবন। রবিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ঘটনা ঘটে।

এ সময় উপাচার্যের বাসভবনের গেট ভেঙে আন্দোলনকারীরা ভেতরে ঢুকে গাড়ি পুড়িয়ে দেয়।উপাচার্যের বাসভবনের আসবাবপত্রও ভাঙচুর করা হয়। এছাড়া বাসভবনের আশপাশেও একাধিক মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। রাত ১টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত এই তাণ্ডব চলে।

জানা যায়, রাত ১টার দিকে এক থেকে দুই হাজার বিক্ষোভকারী বাসভবনে প্রবেশ করে। তারা মূল গেট ভেঙে ফেলে এবং দেয়ালের তারকাঁটা ভেঙে বাসায় ঢুকে পড়ে। তাদের হাতে রড, হকিস্টিক, লাঠি ও বাঁশ ছিল।তবে হামলায় উপাচার্যের পরিবারের কেউ আহত হননি।

প্রায় সব ঘরেই মেঝেতে ছড়িয়ে রয়েছে কাঁচ। সোমবার সকালে ঢাবি উপাচার্যের বাসভবনে গিয়ে দেখা যায়, গোটা বাড়ি তছনছ হয়ে রয়েছে। আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে। বিভিন্ন কাগজপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে এখানে-ওখানে। গোটা বাড়ির বিভিন্ন ঘরের মেঝেতে ছড়িয়ে রয়েছে জানালার কাঁচের টুকরা। বাসভবনের সামনের চত্বর থেকে দোতলা পর্যন্ত প্রায় সবকিছুই ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

গেটে প্রবেশ করার পর থেকে দুই পাশের চত্বরে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল ও ফলের গাছ ভেঙে পড়ে রয়েছে।বাসভবনের মূল ভবনের ভেতরে ও বাইরের সব আসবাবপত্রও হামলাকারীদের আক্রমণের শিকার হয়েছে। এসি, টেলিভিশন, বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি কাগজপত্র, চেয়ার টেবিল, সোফাসেট, কাচের জিনিসপত্র, ফুলের টব, ছবি- সবকিছুই মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

বাড়ির সামনের অংশে থাকা গাড়িতে আগুন দেয়া হয় ভিসির বাসভবনে দুটি গাড়ি ভাঙচুর ও দুটি গাড়িতে আগুন দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে রবিবার বিকাল থেকে শাহবাগ এলাকা অবরোধ করে রাখে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে রাত আটটার দিকে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশের লাঠিপেটা, কাঁদানে গ্যাসের শেল এবং গুলিতে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে পুলিশের সদস্যও রয়েছেন।

  

Post Your Comment