আজ শনিবার, ২৩ জুন ২০১৮ |
Search

প্রচ্ছদ জাতীয় ট্যাক্স ফাঁকির ঘটনায় ইউনাইটেড হাসপাতালের এমডির বিরুদ্ধে মামলা

৫৯  বার পড়া হয়েছে

ট্যাক্স ফাঁকির ঘটনায় ইউনাইটেড হাসপাতালের এমডির বিরুদ্ধে মামলা

৫:৩৭ অপরাহ্ন, ১১ জানুয়ারী, ২০১৮

  

chahida-news-1515670660.jpg

প্রায় সাড়ে একুশ কোটি টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে ইউনাইটেড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রহমান খান ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কমিশনার রহিমা বেগমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপ-পরিচালক মাহবুবুল আলম গুলশান থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

মামলার এজহারে বলা হয়েছে, গুলশান-২ আবাসিক এলাকায় রোড নং- ৭১, প্লট নং- ১৫ ইউনাইটেড হাসপাতালের ভবনটি ২৪ আগস্ট ২০০৬ সালে নির্মিত হয়। তৎকালীন উপ-কর কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন সরেজমিনে হাসপাতাল ভবনটি তদন্ত করে ২৯,৩৮,৬৩,০০০ টাকা বার্ষিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে গত ২৪ আগস্ট ২০০৬ তারিখ হতে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ত্রৈমাসিক হোল্ডিং ট্যাক্স ৮৮,১৫,৮৯০ টাকা নির্ধারণ করে ২৬ আগস্ট ২০০৭ তারিখে নোটিশ প্রদান করা হয়। ইউনাইটেড হাসপাতালের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ফরিদুর রহমান খান, উক্ত করারোপের বিরুদ্ধে ১২ সেপ্টম্বর ২০০৭ তারিখে এ আর বি (অ্যাসেসমেন্ট রিভিউ বোর্ড) বরাবর আবেদন করেন।

তৎকালীন এ আর বি বোর্ডের সদস্য ছিলেন ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কমিশনার রহিমা বেগম। তিনি তখন তৎকালীন চেয়ারম্যান ও অন্য দুইজন সদস্যের অনুপস্থিতিতে এককভাবে নিজ ক্ষমতাবলে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে ইউনাইটেড হাসপাতালের বার্ষিক মূল্যায়ন ২৪,৯৭,৮৫,০০০ টাকা নির্ধারণ করেন। ফলে ২৪ আগস্ট ২০০৬ তারিখ থেকে ইউনাইটেড হাসপাতাল ভবনের ত্রৈমাসিক কর ৭৪,৯৩,৫৫০ টাকা পুনঃনির্ধারণ করে ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে নোটিস প্রদান করে।

এতে দেখা যায়, ইউনাইটেড হাসপাতাল লিমিটেডের ত্রৈমাসিক কর ১৩,২২,৩৪০/- টাকা কমে যায়, তা সত্ত্বেও ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অদ্যাবধি কোনো কর পরিশোধ করেনি। রহিমা বেগম ইউনাইটেড হাসপাতাল ভবনের বার্ষিক মূল্যায়ন কমানোর ফলে ৩,২১,৬৩,০৪১ টাকা ক্ষতিসাধন হয়েছে।

তাছাড়া ইউনাইটেড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অর্থাৎ ডিসিসি কর্তৃক কর নির্ধারণের পর থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন অপকৌশলের আশ্রয় নিয়ে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১১ মাস পর্যন্ত ডিসিসির কর তথা সরকারি রাজস্ব মোট ২১,৪৪,২৬,৯৯৩ (একুশ কোটি চুয়াল্লিশ লাখ ছাব্বিশ হাজার নয়শত তিরানব্বই) টাকা পরিশোধ না করে সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স তথা সরকারি রাজস্বের আর্থিক ক্ষতিসাধন করেছে।

মামলার বিবরণীতে বলা হয়, ফরিদুর রহমান খান ও রহিমা বেগম পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ঢাকা সিটি করপোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স তথা সরকারি রাজস্ব মোট ২১,৪৪,২৬,৯৯৩ টাকা পরিশোধ না করে, আর্থিক ক্ষতিসাধন করে নিজেরা অন্যায়ভাবে লাভবান হয়ে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অপরাধ করেছে।

  

Post Your Comment