আজ বৃহঃস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮ |
Search

প্রচ্ছদ বিদেশ জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তর বিক্ষোভে নির্বিচার গুলি, নিহত ১৮

৫৯  বার পড়া হয়েছে

জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তর বিক্ষোভে নির্বিচার গুলি, নিহত ১৮

অনলাইন | ৬:১৬ অপরাহ্ন, ১৪ মে, ২০১৮

  

chahida-news-1526300174.jpg

সোমবার জেরুজালেমে যুক্তরাষ্ট্রের ইসরাইল দূতাবাস স্থানান্তরের প্রতিবাদে গাজা উপত্যকায় কমপক্ষে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি সমবেত হয়। এসময় ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এখন পর্যন্ত ১৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরা।

সোমবার সকাল থেকে ফিলিস্তিনিরা অধিকৃত গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের সীমান্তে সমবেত হতে থাকে এবং ব্যাপক সুরক্ষায় ঘেরা সীমান্ত বেড়া অতিক্রম করার চেষ্টা চালায় বলে জানিয়েছে আলজাজিরা।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ফিলিস্তিনিরা ভূমি দিবস উপলক্ষে ফিলিস্তিনি শরণার্থীরা তাদের নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার দাবীতে পদযাত্রার আয়োজন করে আসছে। ১৯৪৮ সালে তাদের ওই অঞ্চল থেকে জোর করে উচ্ছেদ করা হয়।

এই কর্মসূচীর শুরুর পর ইসরাইলি বাহিনী গুলি চালিয়ে ৫৪ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে।

স্থানীয় সাংবাদিক মারাম হুমাইদ আলজাজিরাকে বলেন, 'গত সাত সপ্তাহে এই বিক্ষোভ সমাবেশে যত মানুষ সমবেত হয়েছিল তার তুলনায় আজকে বহুগুণ বেশি ফিলিস্তিনি প্রতিবাদের জন্য জড়ো হয়েছেন।'

গত ৩০ মার্চ শুরু হওয়া এই শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষ হবে আগামীকাল (১৫ মে)। যে দিনটিকে আবার ফিলিস্তিনিরা নাকবা দিবস হিসেবে পালন করেন। ১৯৪৮ সালের ১৫ মেতে ইহুদিবাদী ইসরাইল সাড় সাত লাখের বেশি ফিলিস্তিনিকে তাদের বাড়ি-ঘর থেকে উচ্ছেদ করে তা দখল করে নেয়। সেই হিসেবে আগামীকাল ইসরাইলি আগ্রাসনের ৭০ বছর পূর্তি হবে।

একই সাথে বিক্ষোভ কর্মসূচীর আয়োজকরা এই কর্মসূচিতে তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস স্থানান্তরের প্রতিবাদ জানানোর পরিকল্পনা করেন।

এখন ইসরাইলের দখলকৃত পশ্চিম তীরের শহর রামাল্লা ও হেব্রনেও যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস স্থানান্তরের প্রতিবাদ করছে ফিলিস্তিনিরা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ডিসেম্বের একতরফাভাবে জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন। সেইসঙ্গে মার্কিন দূতাবাস তেলআবিব থেকে জেরুজালেমে স্থানান্তরের ঘোষণা দেন।

তার সেই ঘোষণা অনুযায়ী আজ সোমবার মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তর করা হবে। এ উপলক্ষে ইতোমধ্যে মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প ও জামাতা জারেদ কুশনারকে ইসরাইলে পাঠিয়েছেন তিনি। এ ছাড়াও উপস্থিত রয়েছেন শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তারা, যদিও ইসরাইলের আহ্বানে সাড়া দেয়নি অন্যান্য দেশের কূটনীতিকরা। তাছাড়া ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ট্রাম্পের দূতাবাস স্থানান্তরের ঘোষণা দেওয়ার কথা রয়েছে।

  

Post Your Comment