আজ বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |
Search

প্রচ্ছদ অর্থনীতি প্রাণবন্ত বাণিজ্য মেলায় জরিমানা ২ লাখ ৭৭ হাজার

২৭৭  বার পড়া হয়েছে

প্রাণবন্ত বাণিজ্য মেলায় জরিমানা ২ লাখ ৭৭ হাজার

অনলাইন ডেস্ক | ১:০৯ অপরাহ্ন, ২৪ জানুয়ারী, ২০১৮

  

chahida-news-1516777789.jpg

শেষের পথে প্রাণবন্ত ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। তেমন কোনো অভিযোগ পড়ছেনা, মেলা প্রাঙ্গণের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দপ্তরে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে জরিমানা করা হয়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা।

শুরু থেকে মেলার ২৩তম দিন শেষে মঙ্গলবার, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ এসেছে মোট ২৫টি। যার মধ্যে ৪টির কোনো প্রমাণ মেলেনি। আর ৬টি অভিযোগ ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সমঝোতায় নিষ্পত্তি করেছে অধিদপ্তর।

বাকি ১৪টি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায়, অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে ১ লাখ ১৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। যা থেকে ২৫ শতাংশ হারে অর্থাৎ ২৯ হাজার টাকা অভিযোগকারীদের দেয়া হয়েছে।

এছাড়া মেলায় নিজ তদারকিতে ভোক্তা অধিকার নিশ্চিতে ১৫টি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৬১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মেলার এ খাত থেকে ইতোমধ্যে ২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা জমা পড়েছে সরকারি কোষাগারে বলে জানালেন, ঢাকা বিভাগীয় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এবং মেলা দপ্তরের সমন্বয়ক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার।

তিনি পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, প্রথম থেকেই অধিদপ্তর এবং ভোক্তাদের সচেতনতায় এবার মেলায় বিক্রেতারা অনিয়ম কম করছে, তাই অভিযোগও কম আসছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অরিজিনাল হাজির বিরিয়ানি, ক্যাফে শামস এবং দিল্লী সরমা বিরিয়ানি এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ এসেছে।

এব্যাপারে মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, আসলে বিক্রেতাদের ব্যবসায়ীক নৈতিকতায় ফিরিয়ে আনার প্রতিই আমরা এবার বেশি জোর দিচ্ছি। তাই মেলায় অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর কঠোর না হয়ে অভিযোগকারীকে সঙ্গে নিয়েই মনিটরিংয়ের মাধ্যমে তাদের সচেতন করার চেষ্টা করছি। এতে কিছু অভিযোগ ক্রেতা-বিক্রেতার সমঝোতায় নিষ্পত্তি হচ্ছে, আবার কোনো প্রতিষ্ঠানকে একাধিকবার আর্থিক জরিমানাও করা হচ্ছে।

তিনি বললেন, ইতোমধ্যে আমরা তদারকির অংশ হিসেবে, বিদেশি কিছু প্যাভিলিয়নের বিক্রেতাদের ট্রেডলাইসেন্সসহ পণ্য আমদানি ও ভ্যাট পরিশোধের কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য চেয়েছি। তারা প্রকৃতই প্যাভিলিয়নের নাম অনুযায়ী সে দেশের পণ্য বিক্রি করছে কিনা, তা স্পষ্ট হবে এ থেকে।

মেলার ২৫তম সন্ধ্যার মধ্যে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মেলা কার্যালয়ে এসে ওইসব বিক্রেতারা তাদের কাগজপত্র দেখিয়ে যাবে বলেও জানালেন এই সমন্বয়ক।

এদিকে পুলিশের মেলা ইনচার্জ এসআই তোফাজ্জল হোসেন পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, এবারের মেলায় ক্রেতা-বিক্রেতা-দর্শনার্থী সবার উপস্থিতি যথেষ্ঠ প্রাণবন্ত। এখন পর্যন্ত অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটেনি।

  

Post Your Comment