আজ বুধবার, ২২ আগস্ট ২০১৮ |
Search

প্রচ্ছদ ঢালিউড বার বার কলকাতায় যাওয়ার এটাই ছিলো অপুর টার্গেট?

১০৯  বার পড়া হয়েছে

বার বার কলকাতায় যাওয়ার এটাই ছিলো অপুর টার্গেট?

চাহিদা নিউজ ডেস্ক | ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, ৭ জুন, ২০১৮

  

chahida-news-1528311321.jpg

কলকাতার ছবিতে অভিনয় ও পরিচালকের সঙ্গে কাজ করে সফল শাকিব খান। তার লুক পরিবর্তনে বড় ভূমিকা ছিল সেখানকার নির্মাতাদের। সেখানকার পরিচালকদের হাত ধরে নতুন পথ খুঁজে পান শাকিব। অনেকের ধারণা এ নতুন পথই শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের পথকে আলাদা করে দেয়। তাদের ভালোবাসার ‘গোপন’ ঘরটাও তছনছ হয়ে যায়।

আবার সেই ‘গোপন’ প্রকাশ হলেও ঘর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। ঠিক তখন থেকেই অপু বিশ্বাসের মনে জিদ চেপে বসে যেখানে গিয়ে শাকিবের এ পরিবর্তন, সেখানকার পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করবেনই তিনি। বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে মাঝেমধ্যেই যেতেন কলকাতায়। সাক্ষাৎ করে আসতেন পরিচালক ও বিভিন্ন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। অপেক্ষায় ছিলেন সুযোগের। সেই অপেক্ষার অবসান হলো। অপু বিশ্বাস এবার অভিনয় করছেন কলকাতার ছবিতে। ছবির নাম ‘শর্টকাট’। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গেছে খবরটি। এরই মধ্যে ছবির শুটিং শুরু হয়েছে।

অপু বিশ্বাস বলেন, ‘অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল কলকাতার ছবিতে অভিনয় করার। সেই স্বপ্নপূরণ হলো। এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে চাই না। অনেক কথা বলা আছে, সেগুলো পরে বলব।’জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী লিখেছেন ছবির গল্প। তার লেখা এই গল্প নিয়ে বইও প্রকাশ হয়েছে। এবার সেই গল্প নিয়েই চলচ্চিত্র তৈরি হচ্ছে। ছবিটি পরিচালনা করছেন সুবীর ম-ল। তিনি দূরদর্শনের সঙ্গে জড়িত আছেন দীর্ঘদিন। এর আগে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্র পরিচালনা করেছেন। এবারই প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র তৈরি করছেন। ছবিটিতে আরও অভিনয় করবেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, গৌরব চক্রবর্তী, অনিন্দিতা বসু, চন্দন সেন আর বাংলাদেশের অরিন। ‘শর্টকাট’ ছবি প্রযোজনা করছে কলকাতার তৃণা ফিল্ম। ছবির গানের সুর ও সংগীত পরিচালনা করছেন নচিকেতা।

নিজের লেখা গল্প নিয়ে ছবি তৈরি হচ্ছে, তা নিয়ে দারুণ খুশি নচিকেতা। বলেন, ‘সিনেমায় যে যে উপাদান থাকা প্রয়োজন, তার সবই আছে এই গল্পে। ছোটগল্প। সুবীরকে দিয়ে বললাম নিজের মতো করে গড়ে-পিটে নিতে। সুবীর কত ভালো ছবি বানাবে, আমি জানি না। ও মানুষটা খুব ভালো। তাই গল্পটা ওকেই দিলাম।’ তিনি আরও বলেন, ‘কলকাতাকে আমরা যেভাবে দেখি, সেটাই তো শহরের আসল রূপ নয়। গভীরে গভীরে অনেক স্তর রয়েছে। বাংলা ছবিতেও সেগুলো উঠে আসেনি। আমি মনে করি, এই ছবির মাধ্যমে সেগুলো দর্শক জানতে পারবেন।’

সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে দুটো আলাদা আর্থসামাজিক অবস্থার দুই যুবকের গল্প ‘শর্টকাট’। বিত্তবান পরিবারের একটি ছেলে আর ঠিক পাশের বস্তিতে থাকা আরেকটি ছেলে। আপাতদৃষ্টিতে দুজনের অবস্থান আলাদা হলেও তাদের দুজনের জীবনেই ব্যর্থতার গ্লানি রয়েছে। কোথাও গিয়ে তারা মিলে যায়। তারা পরিস্থিতি থেকে বের হতে পারে কিনা, তাই নিয়ে ছবির গল্প। সুবীর ম-ল বলেন, ‘আমাদের সবার মধ্যেই একটা শর্টকাট নেওয়ার প্রবণতা আছে। পরিণতিতে কেউ সফল হয়, কেউ ব্যর্থ হয়। আমাদের ছবি তেমনি একটি গল্প নিয়ে।’

  

Post Your Comment